দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার করতে প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান। যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘের আয়োজিত দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সম্মেলন বা ‘টু-স্টেট সল্যুশন’ বিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলনের ফাঁকে পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার এবং বাংলাদেশের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেনের মধ্যে বৈঠকে এ প্রতিশ্রুতি আসে।
বৈঠকে আলোচনায় আসে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সহযোগিতা বাড়ানোর অঙ্গীকার, উচ্চপর্যায়ের সফর ও জনগণ পর্যায়ে বিনিময় বাড়ানোর পরিকল্পনা, গাজায় চলমান মানবিক সংকট ও ইসরায়েলি আগ্রাসনের নিন্দা এবং ফিলিস্তিনিদের প্রতি সংহতি। গণ-আন্দোলনের মুখে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর এটি চতুর্থ উচ্চপর্যায়ের বৈঠক, যা পাকিস্তান-বাংলাদেশ সম্পর্কের মধ্যে নতুন গতি সৃষ্টি করেছে। খবর এক্সপ্রেস ট্রিবিউনের।
এদিকে গত সপ্তাহে পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মোহসিন নাকভি ঢাকায় সফর করেন।কূটনৈতিক ও সরকারি পাসপোর্টধারীদের ভিসামুক্ত ভ্রমণ সংক্রান্ত একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের পতনের পর পাকিস্তানি কূটনীতিক ও পণ্যের ওপর নিষেধাজ্ঞা শিথিল করেছে বাংলাদেশ।
দুই দেশ এখন অতীতের বিরোধ পেরিয়ে উন্নয়ন, বাণিজ্য ও কৌশলগত স্বার্থে সহযোগিতামূলক কূটনীতি গড়ে তুলছে।চীনের প্রভাব বৃদ্ধি ও সা’র্ক-এর মতো আঞ্চলিক জোটগুলোর গুরুত্ব কমে যাওয়ার প্রেক্ষিতে উভয় দেশ পররাষ্ট্র নীতি নতুনভাবে সাজাচ্ছে। এই ধারাবাহিক সংলাপ দক্ষিণ এশিয়ায় নতুন আঞ্চলিক ভারসাম্য গঠনে সহায়ক হতে পারে বলে পর্যবেক্ষকদের মত।
মন্তব্য করুন